চাকুরী বা কর্মজীবীদের জন্য ব্যবসা শুরু করতে ৫ টি সেরা পরামর্শ

0
253

যারা চাকুরী থাকা অবস্থায় ব্যবসা করতে চান তাদের জন্য ৫টি পরামর্শ

আপনার সময় এবং প্রচেষ্টা একটি নতুন ব্যবসা শুরুর পরিকল্পনা তৈরির জন্য যথেষ্ট। আপনার প্রচেষ্টাই আপনাকে শত ভাগ সফলতা এনে দিতে পারে। কিন্তু আপনি যদি চাকুরীর পাশাপাশি একটি পাশর্^ ব্যবসা শুরু করতে চান তবে আপনার আয় ও চাকুরীর নিরাপত্তা ঝুকিঁর মুখে পড়তে পারে। তবু আপনাকে হতাশ না হয়ে অভিষ্ট্য লক্ষ্যে পৌছাঁতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

আপনি যদি চাকুরীর পাশাপাশি একটি সাইড ব্যবসা শুরু করে সফল উদ্যোক্তা হিসেবে আত্নপ্রকাশ করতে চান তবে আপনার জন্য নিচে ৫ টি সর্বোৎকৃষ্ট পরামর্শ তুলে ধরা হলো।

শুরু করুন

ব্যর্থতা আর হতাশ হওয়ার ভয় একটি ব্যবসা শুরুর পথে প্রধান অন্তরায় হতে পারে। ব্যবসা শুরু করার পূর্বে প্রতিদিন কিছু না কিছু করার চেষ্টা করুন। এমনকি আপনি যদি অনন্ত আপনার ব্যবসার নামটিও ঠিক করতে পারেন তবে তা অসাধারণ ভাবে কোন কিছু করার চেয়ে উত্তম হতে পারে। তাই ব্যবসার শুরুর পূর্বে ব্যবসা সম্পর্কিত নানাবিধ কাজ করা থেকে বিরত থাকবেন না। এর ফলে আপনার ব্যবসার অগ্রগতি দৃশ্যমান হতে পারে।

অভিজ্ঞ হয়ে উঠুন এবং বাজার পরীক্ষা করুন

আপনি যদি ব্যবসা শুরু করতে চান তবে আপনি জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি করুন এবং গ্রাহকদের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার মানসিকতা অর্জন করুন। তাই ব্যবসা শুরুর পূর্বে দক্ষতা বৃদ্ধি ও গ্রাহকদের প্রতিক্রিয়া জানতে অনুশীলন করা জরুরী। পাশাপাশি ধীরে ধীরে আপনার ব্যবসার বাজার পরীক্ষা করুন।

আপনার কর্মের সাথে সংঘর্ষ এড়িয়ে চলুন

যদি আপনা ব্যবসাটি আপনার চাকুরী বা কর্মের সাথে সম্পর্কহীন হয় তবে ব্যবসা শুরু পূর্বে আপনার বসকে জানাতেই হবে এমন নয়। যদি আপনি মনে করেন এতে কোন দ্বন্দ্ব থাকতে পারে তাহলে আপনি মানব সম্পদ বিভাগের সাথে যোগাযোগ করে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারেন যাতে কোন কোম্পানী বা প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে কাজ করতে আপনি বাধা প্রাপ্ত হন।

যেহেতু আপনার ব্যবসাটি অবসর সময়ের কর্মকান্ডের মধ্যে পড়ে সেহেতু আপনি দিনের সকল কর্মকান্ডের পড়ে ব্যবসার জন্য আলাদা একটি সময় নির্ধারণ করতে পারেন। যেমন- যদি আপনার ব্যবসা সম্পর্কে কথা বলার প্রয়োজন পড়ে তাহলে আপনি কথোপকথনের জন্য দুপুরের খাবার সময়টি বেছে নিত পারেন। প্রয়োজনে আপনি আপনার বস বা সহকর্মীদের নিকট হতে আপনার ব্যবসার উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন পরামর্শ গ্রহণ করতে পারেন। কিন্তু আপনার ব্যবসাটিকে আপনার র্কম বা চাকুরী থেকে সম্পূর্ণ আলাদা রাখতে হবে।

বাস্তববাদী লক্ষ্য স্থাপন করুন

বাস্তববাদী লক্ষ্য আপনার উদ্দেশ্য নির্ধারণ ও উৎসাহিত হতে সাহায্য করবে। এক্ষেত্রে একটি বার্ষিক বিক্রয় লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত হতে পারে। আপনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ ও অর্জন করতে যে খরচ হয় তা যেন মুনাফা অর্জনকে বাধাগ্রস্ত না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখা জরুরী।

কর্ম বা চাকুরী ছেড়ে দেওয়ার সঠিক সময় জানুন

আপনি যদি আপনার ব্যবসা থেকে যথেষ্ট পরিমাণ মুনাফা আয় করতে পারেন এবং কর্ম বা চাকুরীর কারণে অপরিপূর্ণতা অনুভব করে থাকেন তবে এটিই আপনার চাকুরী বা কর্ম ছেড়ে দেওয়ার উপযুক্ত সময় হতে পারে। তবে এটি দীর্ঘ সময়ের ব্যাপার হতে পারে। আপনার চাকুরী বা কর্মটি ছেড়ে দেওয়ার পূর্বে অবশ্যই আপনাকে আপনার আয়, সঞ্চয়, স্বাস্থ্য বীমা ইত্যাদি বিষয় গুলো বিবেচনায় নিতে হবে। সব দিক সুনিশ্চিত না হয়ে চাকুরী বা কর্ম ছাড়া সমীচিন হবে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here