জীবন বীমা বিক্রয় প্রক্রিয়ায় অধিকতর প্রচার প্রচারনার বিভিন্ন ধাপ সমূহ ও বীমা কর্মীর বয়স

0
259

 যে কোন বিক্রয় প্রক্রিয়াযত মূলে হচ্ছে অবহিত করন। এই অবহিত করণ বা জানানোর মাধ্যমে বাজার সৃষ্টি হয়। অবহিতকরণ প্রক্রিয়া যত বৃদ্ধি পাবে বাজারের পরিধি তত বৃদ্ধি পাবে। এই প্রক্রিয়ার সাথে বর্তমানে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে আছে ইলেকট্রোনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া। ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মধ্যে রয়েছে দেশী বিদেশী টেলিভিশন, ফেসবুক, ওয়েব সাইট, ই-মেইল, এস এমএস বিজ্ঞাপন ইত্যাদি।

প্রিন্ট মিডিয়া বিভিন্ন দৈনিক পত্র পত্রিকার খবর, লিফলেট ছাপানো, বিল বোর্ড ইত্যাদি। এ ছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন সচেতন মূলক সভা, সেমিনার সিম্পোজিয়াম ইত্যাদি। বর্তমানে কোথাও কোথাও দেখা যায় সামাজিক বা বিয়ে সাদী অনুষ্ঠানে উপহার হিসাবে বীমা পত্র তুলে দেয়া হয়। এর সংখ্যা কম হলেও ভবিষ্যতে এর গুরুত্ব অপরিসীম।

১। ব্যক্তিগত যোগাযোগ

ব্যক্তিগত যোগাযোগ সর্ম্পক উন্নয়নে বীমা পেশার ক্ষেত্রে অন্যতম চালিকা শক্তি। যাহা অর্জনে কর্মীর সততা, সদ ব্যবহার, সাহসত্ত প্রতিষ্ঠানের প্রতি একনিষ্ট ভালবাসা জরুরী। মনে রাখা দরকার একজন বীমা গ্রাহক তার জীবনের কষ্টাজিত আয়ের একটি অংশ বীমা কর্মীর কথায় আস্থা এনে প্রদান করে কাগজে ডকুমেন্ট গ্রহণ করে। আবার এই আস্থা বিশ্বাসের ক্ষেত্রে একজন থেকে অন্য জনের মধ্যে প্রভাবিত হয়। ফলশ্রুতিতে এর প্রচার প্রসার আশানুরূপ বৃদ্ধি পেতে থাকে। ইটের ভাটায় ইট এ ইট যদি না পুড়তো তাহলে কাঠ দিয়ে ইট পোড়ানোর মত দুরুত্ব কাজে কেউ হাত দিতো না। তদ্রুপ একজন থেকে অন্য জনের পারস্পরিক যোগাযোগ বীমা ব্যবসায় সুফল প্রাপ্তির ব্যপ্তি ঘটায়।

২। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার

বর্তমানে ব্যবসা বৃদ্ধির জন্য ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান গুলির তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার জরুরী হয়ে উঠছে। কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান নিজস্ব ওয়েব সাইট, আধুনিক প্রযুক্তি ও অন্যান্য জনপ্রিয় সামাজকি মাধ্যম (যেমন টুইটার ফেসবুক) ব্যবহার শুধু প্রচারে নয় বিক্রির ক্ষেত্রে ও এই মাধ্যমগুলি ব্যবহার করছে।

৩। আবেদন /প্রস্তাবপত্র

বিভিন্ন পর্যায় ধারনা বা কর্মী পর্যায় যোগাযোগের ফলে আগ্রহী বীমা গ্রাহকগণ কোম্পানীর নির্ধারিত ফরমে আবেদন করেন। এই প্রস্তাব বা আবেদন পত্রই বীমা চুক্তির মূল ভিত্তি

জীবন বীমা কর্মীর বয়স সীমা

জাতি ধর্ম বর্ণ গোত্র নির্বিশেষে সকল ধরনের আগ্রহী উৎসাহী বয়স্ক ১৮ বৎসরের উর্ধ্বে নারী পুরুষ বীমা পেশায় আত্মনিয়োগ করতে পারে। এখানে মজার বিষয় হচ্ছে মৃত্যু অবস্থায় আ-মৃত্যু পর্যন্ত কাজ করার সুযোগ থাকে। জীবন বীমা পেশায় অবসরে যাওয়ার বয়সের কোন বালাই নেই। ইনসিউরেন্স ব্যতীত অন্যান্য কিছু পেশায় নিয়োজিতদের যে কোন কারণে আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তখন নতুন জবাবে কর্মসংস্থানের পথ তৈরী করে নিতে হয়। জীবন বীমার ক্ষেত্রে এর বিপরীত।

নবায়ন কমিশন আপনাকে নিরবে আর্থিক জোগান দিয়ে যাবে। ফলে আপনি যে কোন ধরনের শারিরীক, মানসিক, সমস্যায় ও আর্থিক সমস্যার সমাধান করতে পারবেন। এখানে বয়সের কারণে কাহাকেও উপহাস উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। আপনি স্বাধীন ভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন। অর্থ প্রাপ্তির সম্ভাবনা আপনাকে শারীরিক মানসিক শক্তি জোগাবে। বয়সে বৃদ্ধ হলে ও আপনার কর্মস্পীহা থেমে থাকবে না। অর্থ ভাবে অন্যের মুখাপেখী হতে হবে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here