১৫টি সাইড ব্যবসা – Business Ideas in Bangladesh

0
578

চাকুরির সাথে তাল মিলিয়ে যে ১৫টি সাইড ব্যবসা শুরু করতে পারেন

চাকুরির সাথে তাল মিলিয়ে যে ১৫টি সাইড ব্যবসা শুরু করতে পারেন

আপনার যদি একজন উদ্যোক্তা হওয়ার ইচ্ছা থাকে, তাহলে বেছে নিতে পারেন উপযুক্ত ও স্বাচ্ছন্দ্যময় একটি সাইড ব্যবসা। একটি সাইড ব্যবসা আপনাকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী এবং আরো বেশি কর্মচঞল করতে সহায়তা করবে। সাইড ব্যবসার ক্ষেএে একটি সঠিক সিদ্ধান্ত আপনাকে অনেক বেশি এগিয়ে রাখতে পারে। এক্ষেএে আপনার মেধাকে কাজে লাগিয়ে সকল কাজ এগিয়ে নিতে পারেন। দক্ষ ও অভিজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে যে কেউ দ্রুতই নেমে পরতে পারেন। ইচ্ছা করলে আপনি পার্টনারশীপেও একটি সাইড ব্যবসা শুরু করতে পারেন। এই ব্যবসার জন্য প্রয়োজনীয় সরজ্ঞাম ও লোকবল নিয়োগ করে আপনি নিশ্চিন্তে ব্যবসাটি পরিচালনা করতে পারেন। আপনার জন্য অনুকূল হতে পারে এমন ১৫ টি সাইড ব্যবসা ধারণা নিয়ে নেচে আলোচনা করব।

 

গ্রাফিক ডিজাইন

মূলত একজন ডিজাইনার ফটো এডিট, বিভিন্ন লগো তৈরী, পো¯টার-ব্যানার, ভিজিটিং কার্ড তৈরী ইত্যাদি কাজ গুলো করে থাকে। এডোবি ইলাসটেটর এর মত সফটওয়্যারগুলোর ব্যবহার সম্পর্কে জেনে আপনি সহজেই ডিজাইনার হিসেবে শুরু করতে পারেন আপনার সাইড ব্যবসা।

ওয়েব ডিজাইন

ওয়েব ডিজাইন এমন একটি ব্যবসা ধারণা যেটি শুরু করে সহজেই সফল হওয়া যায়। ওয়েব ডিজাইন হল মানসম্পন্ন একটি করে কাজ করতে হয়। আপনি যদি একজন ওয়েব ডিজাইনার হিসেবে আপনার পেশা শুরু করতে চান তাহলে এইচটিএমএল, ওয়ার্ডপ্রেস, সিএসএস ইত্যাদি কাজ গুলো শিখতে হবে।

ইন্সট্রাগ্রাম মাকের্টিং

ইন্সাট্রাগ্রাম একটি জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। একটি ইন্সট্রাগ্রাম অ্যাকাউন্ট খুলে আপনি আপনার ব্যবসায়িক পণ্য বা ব্র্যান্ডের মাকের্টিং শুরু করতে পারেন। এজন্য আপনার ভালো মাকের্টিং দক্ষতা থাকতে হবে।

ফিল্যান্স রাইটিং

আপনি একজন ফিল্যান্স লেখক হিসেবে শুরু করতে পারলে প্রচুর অর্থকড়ি উপার্জন করতে পারবেন। আপনি একটি প্রতিষ্ঠিত ব্লগিং সাইটে নিজেকে আতœনিয়োগ করে উপাজর্নের একটি দুর্দান্ত উপায় হিসেবে বেছে নিতে পারেন। ব্ল্যান্সার, আপওয়ার্ক ইত্যাদি সাইট গুলো ফিল্যান্স রাইটিংয়ের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয়।

অ্যামাজন রিসেলিং

যে কেউ ইচ্ছা করলে অ্যামাজনে পণ্য বিক্রি করতে পারে। আপনার কাছে যদি বিক্রয় উপযোগী পণ্য থাকে অথবা কোনো কাজ করার পর বাড়তি পণ্য অবশিষ্ট থাকে তাহলে আপনি সহজেই অ্যামাজনে পুনরায় বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। আবার কম দামে অ্যামাজন থেকে পণ্য কিনে বেশি দামে বিক্রি করেও লাভবান হতে পারেন।

অ্যাফলিয়েট সেলস ও মাকের্টিং

মূলত অ্যাফিলিয়েট সেলস ও মাকেটিং একটি ওয়েবসাইট ভিত্তিক ব্যবসার ধারণা। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে আপনি তৈরী পণ্যের মার্কেটিং করে টাকা উপার্জন করতে পারেন। ঝযধৎবধংধষব, জধশঁঃবহ, ঈষরপশনধহশ, ঝশরসষরহশ ইত্যাদি র্বতমানে সবচেয়ে জনপ্রয়ি অ্যাফলিয়িটে মাকের্টিং সাইট। এখানে আপনি বিজ্ঞাপন প্রচার করে, নিজেকে সম্পৃক্ত করতে পারেন। এটি একটি গৃহ কেন্দ্রিক ব্যবসা যা আপনাকে স্বাবলম্বী করে তুলতে পারে।

সোশাল মিডিয়া ম্যানেজার

আপনার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে দারুণ ভাবেই সোশাল মিডিয়া ম্যানেজার হিসেবে কাজ শুরু করতে পারেন। ঋধপবনড়ড়শ, ঞরিঃঃবৎ, ডযধঃংধঢ়ঢ় ইত্যাদি সোশাল মিডিয়া সাইট গুলোতে অহেতুক  সময় ব্যয় না করে সাইড বিজনেসের মাধ্যম হিসেবে গড়ে তুলুন। বেশির ভাগ কোম্পানী, নতুন ব্যবসায়ী ও পাইকারদের কাছে তাদের ব্যবসার প্রচারের জন্য সোশাল মিডিয়া সাইট গুলো গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। সোশাল মিডিয়া সাইট গুলো কাজে লাগিয়ে অনলাইনে তাদেও পণ্য বা ব্র্যান্ডের প্রচার করতে চায়। আপনি ঋষবীলড়ন এবং ঈধৎববৎনঁরষফবৎং ইত্যাদি সাইট গুলোতে এধরনের প্রচুর কাজ পেতে পারেন।

প্রপার্টি ম্যানেজার

রিয়েল এসেস্টে এ বিনিয়োগ কারীদের কাছে একজন প্রপার্টি ম্যানেজারের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য্য। এক্ষেএে আপনার কাজ হবে বড় এ্যাপার্টমেন্ট, বিল্ডিং বা জমির দেখাশুনা করা।

ফাইভার গিগস

যারা ফিল্যান্সিং করেন তাদের জন্য ফাইভার একটি জনপ্রিয় সাইট। ফাইভারে লোগো ডিজাইন, এ্যানিমেশন তৈরী ইত্যাদি কাজগুলো করে আপনিও সহজেই সফল হতে পারেন। আয়ের জন্য এটি হতে পারে একটি বেস্ট প্ল্যাটফর্ম।

আর্ট কালেক্টর

এটি খুবই জনপ্রিয় একটি বিজনেস সেক্টর। এই ব্যবসাটি শুরু করতে হলে সময়, ধৈর্য্য ও শিল্পের প্রতি আবেগ প্রয়োজন। স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও পুরনো কোন সংগ্রহশালা থেকে আর্ট সংগ্রহ করে এগুলো থেকে ধারণা নিতে পারেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন আর্ট কোম্পানী অথবা সৌখিন কোন আর্ট কালেক্টরের কাছে বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারেন।

ডাটা এনালাইসিস

ডাটা এনালাইসিস অত্যন্ত সহজ ও আর্কষণীয় একটি সেক্টর হওয়ায় দিন দিন এটি সকলের নিকট একটি বিশ^স্ত ইনকাম মেথড হিসেবে কাজ করছে। টঢ়ড়িৎশ, উরমরংবৎাবফ ইত্যাদি সাইটগুলো বর্তমানে সবচেয়ে সেরা ডাটা এনালাইসিস সাইট। এই সাইট গুলো থেকে সহজে কাজ পাওয়া যায় এবং প্রচুর টাকা ইনকাম করা যায়।

ট্রান্সলেটর

আপনার যদি দুটি বা তার অধিক ভাষার উপর দক্ষতা থাকে তাহলে একজন ট্রানবসলেটর হিসেবে সাইড বিজনেস শুরু করতে পারেন। তবে এক্ষেএে ব্যাকরণ ও বানান ঠিক থাকতে হবে। একজন ট্রান্সলেটর হিসেবে শুরু করতে চাইলে ঋষবীলড়ন সাইটটিতে একটি প্রোফাইল তৈরী করে নিতে পারেন। ট্রান্সলেটরদেও জন্য এটি একটি জনপ্রিয় সাইট।

ট্যুর গাইড

সারা বিশে^র মানুষের কাছে ভ্রমণ একটি সুখকর অভিজ্ঞতা। এই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে আপনিও হয়ে উঠতে পারেন একজন টুরিস্ট গাইড। বর্তমানে এটি একটি জনপ্রিয় পেশা। আপনি যদি আপনার নিকটস্থ কোন পর্যটন প্লেস সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখেন তাহলে সহজেই একজন টুরিস্ট গাইড হিসেবে শুরু করতে পারেন। ্এটি শুরু করতে হলে ভালো যোগাযোগ দক্ষতা থাকা প্রয়োজন।

কম্পিউটার টিউটরিং

এটি সাইড বিজনেসের অনেক গুলো শাখার মধ্যে একটি। আপনার যদি কম্পিউটার সম্পর্কে ভালো জ্ঞান থাকে তাহলে সহজেই এই ব্যবসাটি শুরু কওে আপনি সফল হতে পারেন। তরুণ ও নতুন উদ্যোক্তাদেও জন্য এটি একটি সম্ভাবনাময় ব্যবসা ক্ষেএ।

কাস্টমার সার্ভিস

কাস্টমার সার্ভিস একটি প্রগতিশীল ব্যবসা খাত, যার মাধ্যমে আপনি বাড়ীতে বসে আয়ের একটি স্মার্ট উপায় পেতে পারেন। কোন গ্রাহক সেবা কোম্পানীর হয়ে সহজেই বাড়িতে বসে এই ব্যবসাটি পরিচালনা করা যায়। এইক্ষেএে আপনার প্রধান কাজ হবে গ্রাহক পরিসেবায় আসন্ন ফোন কল ও লাইভ চ্যাট গুলো ম্যানেজ করা।  তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য এটি একটি চ্যালেজ্ঞিং ব্যবসা ক্ষেএ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here